* মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ এর ওয়েব সাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ # একাদশ শ্রেণি (বালক/বালিকা) বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম আবেদনের যোগ্যতা: বিভাগ বালিকা শাখা বালক শাখা বিজ্ঞান: বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম জিপিএ ৪.৭৫ জিপিএ ৪.৫০ ব্যবসায় শিক্ষা: বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম জিপিএ ৩.৫০ জিপিএ ৩.০০ মানবিক (বাংলা মাধ্যম) জিপিএ ২.৫০। আবেদনকারী এসএমএস এর মাধ্যমে অথবা অনলআইনে (www.xiclassadmission.gov.bd) আবেদন করতে পারবে।রবে।

অভিভাবক দিবস

অভিভাবক দিবস :

প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত দিনে ও বিভিন্ন পরীক্ষার পূর্বে ছাত্রী-শিক্ষক ও অভিভাবক দিবসপালিত হয়। এই দিবসে অভিভাবকগণের উপস্থিত আবশ্যক। এই দিবসে ছাত্র/ছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি সম্পর্কে পর্যালোচনা ও মতামত বিনিময় করা হয় যাতে বোর্ড পরীক্ষায় তারা ভাল ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়।

 

অভিভাবকদের জ্ঞাতব্য বিষয়

১.    বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন সময়সূচি অনুযায়ী প্রশিক্ষণ শিক্ষা কার্যক্রম গ্রীষ্মকালে সকাল ৭:১৫ মিনিটে আরম্ভ হয় এবং বেলা ১২:৫৫ মিনিটে শেষ হয় এবং শীতকালে সকাল ৭:৪৫ মিনিটে আরম্ভ হয় এবং বেলা ১:২০ মিনিটে শেষ হয়।

২.   ছাত্রীদের সঠিক সময়ের পর বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না।

৩.   ছাত্রীদের বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত পোষাক-পরিধান করতে হবে।

৪.   ছাত্রীদের পিতা-মাতা অথবা অনুমোদিত স্থানীয় অভিভাবক ছাড়া অন্য কারো সাথে সাক্ষাৎকার নিষিদ্ধ।

৫.   জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোন ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের টেলিফোন ব্যবহার করতে দেয়া হয় না।

৬.   বিনা অনুমতিতে শিক্ষার্থীকে ক্যামেরা, রেডিও, ক্যাসেট প্লেয়ার, বাদ্যযন্ত্র ইত্যাদি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে দেয়া হয় না।

৭.   ছাত্রীদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে বা দূর্ঘটনার স্বীকার হলে সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবককে টেলিফোনে বা লোক পাঠিয়ে সংবাদ জানানো হয়। এ প্রেক্ষিতে অভিভাবক তার জরুরি যোগাযোগের ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবশ্য জানাবেন।

৮.   বিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা ছাত্রীদের শিক্ষা ও কল্যাণ সম্পর্কে কোন অভিভাবকের অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে তা ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে বা চিঠি লিখে অধ্যক্ষকে জানাতে পারেন। এসব বিষয়ে ছাত্রীদের সাথে আলোচনা করা ক্ষতিকর।

৯.   প্রত্যেক পর্বশেষ পরীক্ষার পর যে মূল্যায়ন পত্র অভিভাবককে দেয়া হয়। উক্ত মূল্যায়ন পত্রে কন্যা/পোষ্যের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে যে মন্তব্য করা হয়ে থাকে এগুলো সম্পর্কে অভিভাবককে প্রয়োজনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।

১০. সরকার ২০০৪ সাল থেকে ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে বিদ্যালয় ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করেছে। এ শিখন পদ্ধতিতে ছাত্রীদেরকে অনুসন্ধানমূলক শিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ের বাইরে তথ্য সংগ্রহের জন্য যেতে হয়।

এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূলনীতি হচ্ছে একজন কিশোরীকে পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের উপর জ্ঞানদান এবং নিয়ম-শৃঙখলার মাধ্যমে তাকে আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলা। লেখাপড়ার সাথে সাথে তার চরিত্র ও ব্যক্তিত্বের সুষ্ঠু গঠন ও বিকাশের প্রতিও এখানে বিশেষ লক্ষ্য রাখা হয়।